শনিবার (২১ জুন) দিবাগত রাতে ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালের এক পোস্টে এই দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ হামলার কথা ইরানের পক্ষ থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
মার্কিন হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘ঘটনাগুলো অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং এর পরিণতি হবে চিরস্থায়ী।… আমাদের সার্বভৌমত্ব, স্বার্থ ও জনগণকে রক্ষার জন্য ইরানের সব বিকল্প উন্মুক্ত রয়েছে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনটি প্রাথমিক দৃশ্যপট তুলে ধরেছেন তেহরানের সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আব্বাস আসলানি।
আসলানি বলেন, ‘প্রথমত, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ইরান সীমিত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘শুধু পারমাণবিক স্থাপনা নয়, এই হামলা মানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। এর আগে ইরান স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তারা এই পদক্ষেপের জবাব দেবে।’
দ্বিতীয় দৃশ্যপট হিসেবে তিনি বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধও হতে পারে। তখন ইরান শুধু মার্কিন স্বার্থ নয়, ইসরায়েলি স্বার্থেও বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে। এর আওতায় ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু আঘাতের শিকার হতে পারে। ইরানের মিত্ররাও এতে যুক্ত হতে পারে।’
তৃতীয় বিকল্প হিসেবে আসলানি উল্লেখ করেন, ‘এই দুটি অপশনের সংমিশ্রণও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহের ভারসাম্য বিঘ্নিত করতে পারে।’
মন্তব্য করুন