সময়ের প্রয়োজনে তরুণরাই দল ও দেশের হাল ধরার সময় এখন। সাহসী আর সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে উপেক্ষা করার আর সুযোগ নেই। তাদের নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজে লাগাতে হবে। তেমনি একজন সম্ভাবনাময় তরুন তুর্কি সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমান উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির নেতা সাগর আহমেদ আলী।
২০১২ সালের একটা ঘটনা মনে পড়ছে, সে সময় পুরো উত্তরা খুজলে ২০/৫০ জন লোক পাওয়া যেতনা যারা নিজেদের বিএনপি দাবী করার সাহস রাখে। সে সময় কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজমপুরে একটা মিছিল করার কথা কানে এলো। খোজ নিলাম কারা করবে এই মিছিল। মোটামুটি বড় কয়েক নেতাকে কল দিলাম , কয়েকজন ফোন ধরলেন না যে কজন ধরলেন তারা জানালেন তারা করছেন না এই মিছিল। তাহলে কারা করবে এই মিছিল? এই প্রশ্নর উত্তর খুজতে গিয়ে একজন জানালেন ছাত্রদল নেতা সাগরের নেতৃত্বে এই মিছিল হবে। তাকে তখন চিনতাম না, তাই আগ্রহ নিয়ে গেলাম। ঠিক ৩ টায় ৬০/৭০ জনের একটা মিছিল হলো সাগরের সাথে পরিচিত হলাম সেদিন। শুধু মাঝে কিছুদিন কানাডায় থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে অনেক। আর পুলিশি হয়রানী তো নিত্য ব্যাপার ছিলো। পারিবারিক সামর্থ্য যা তাতে তার রাজনীতি করার কোন প্রয়োজন ছিলোনা। কিন্তু দেশের কথা দশের কথা ভেবে তিনি নিজেকে জিয়ার আদর্শের সৈনিক হিসেবে উজার করে দিয়েছেন।
ভয়ভীতি উপেক্ষা করে রাজপথে নিজেকে ধরে রেখেছেন। ঢাকা ১৮ আসনের জনতার এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন কে নিজ আদর্শ মেনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পতাকাতলে এসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ গঠনে ভুমিকা রাখতে নিরলস প্রচেষ্টা করে চলেছেন তিনি।
যে দলের জন্য তার এই ত্যাগ তিতিক্ষা তারা যেনো বর্তমানের হাইব্রিড নেতাদের ভিড়ে দুঃসময়ের কান্ডারিদের ভুলে না যায় তাই নেতাদের মনে করিয়ে দিতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
“এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান”- কবি সুকান্তের এই কবিতা এখন দারুণ ভাবে প্রযোজ্য। তরুণদের ‘দায়িত্ব এবং সুযোগ’ দিতে হবে, ‘নেতৃত্বের’ স্থানে বসাতে হবে।
মন্তব্য করুন