গত ২৪ এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘স্বেচ্ছাচারিতায় জিম্মি বাংলাদেশ, কমছে মান, আসছে না কাঙ্ক্ষিত ফল’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ছাপানোর জন্য ইত্তেফাকের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং এর প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদের পক্ষে আইনি নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. আনিসুজ্জামান ।
গত সোমবার পাঠানো ঐ আইনি নোটিশে বলা হয়, ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এ যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এতে বিসিবি ও এর সভাপতির সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
আইনি নোটিশে আরো বলা হয়, সংবাদের তথ্যসূত্র ছিল অবিশ্বস্ত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিসিবি বরাবরই আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতিতে অটল রয়েছে। নোটিশে ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এর সম্পাদক ও প্রকাশককে ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে বিসিবির লোগো ও সভাপতির ছবিসংবলিত একটি স্পষ্ট খণ্ডন প্রতিবেদন প্রকাশ করতে এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আদালতে (দেওয়ানি ও ফৌজদারি) আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাকের বক্তব্য
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে শুধু বিসিবির অর্থ এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে স্থানান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এ অর্থ স্থানান্তর করে বিসিবি সভাপতি দুর্নীতি করেছেন কিংবা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন সে বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে শুধু দৈনিক ইত্তেফাকেই নয়, সহযোগী বিভিন্ন দৈনিকেও রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আইনি নোটিশে বিসিবির অর্থ স্থানান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা হলেও ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে অন্য যে বিষয়গুলোর উল্লেখ ছিল, প্রতিবাদে সে বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়নি। যেমন ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের ব্রডকাস্ট রাইটস না পাওয়া’, ‘বিদেশ সফরে বিসিবি সভাপতির ৮০ লাখ টাকা ব্যয়’, ‘ডিএ বাবদ টাকা বাড়িয়ে নেওয়া’, ‘চ্যাম্পিয়নস ট্রফি চলাকালে দুবাইয়ের খেলা শেষ হওয়ার পর বোর্ড সভাপতির রাওয়ালপিন্ডি না গিয়ে দুবাই অবস্থান’, ‘ব্যাংক গ্যারান্টি ছাড়া দল বরাদ্দ’, ‘বিপিএল টুর্নামেন্টে খেলতে আসা ক্রিকেটারদের অর্থ পরিশোধ না করা বিষয়ে বোর্ডের নির্লিপ্ততা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য
মন্তব্য করুন