সব খবর ডেস্ক
১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি সরকার যতদিন সরকারে আছে ততদিন শিক্ষকদের আর অবসর ভাতার জন্য অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ চার বছর ধরে আটকে থাকা ৭০ হাজার ১১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ভাতার জট খুলেন। সরকারের এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে iBAS+ সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হয়।অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যতদিন আপনাদের নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আপনাদেরকে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর যন্ত্রণা ছাড়াই যথাসময়ে অনলাইনে আপনাদের প্রাপ্য টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।

শিক্ষকদের হয়রানির তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষক সমাজ যারা নীতি-নৈতিকতা আর আদর্শের বাণী শিখিয়ে লাখো শিক্ষার্থীকে বড় করে তোলেন, তাদেরকেই যদি নিজেদের প্রাপ্য টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয় কিংবা অফিসে অফিসে ঘুরে ভোগান্তি পোহাতে হয়, তবে সেটি শুধু শিক্ষকদের হয়রানি নয়; বরং জাতি হিসেবে আমাদের দীনতা ও হীনতাই প্রকাশ পায়। আজ আমরা কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই অনলাইনে তাদের টাকা পাঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। তারেক রহমান বলেন, টাকা পৌঁছে দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা অত সহজ ছিল না। পতিত, পরাজিত ও বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী সরকার যেভাবে ব্যাংক-বিমাসহ প্রতিটি সেক্টর থেকে লুটপাট করেছিল, শিক্ষকদের এই তহবিল দুটিও তা থেকে রেহাই পায়নি। জাল ইনডেক্স তৈরি করে এবং দুর্বল ব্যাংকে অর্থ সরিয়ে এই তহবিল দুটিকে প্রায় দেউলিয়া করে ফেলা হয়েছিল। ফলে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষকরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েন। বর্তমান সরকার বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষকদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে এই বিশাল অর্থের সংকুলান করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী দেন, শিক্ষকদের কল্যাণে বেগম জিয়ার উদ্যোগেই ১৯৯১ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী ‌কল্যাণ ট্রাস্ট এবং ২০০২ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষা বিস্তারে, বিশেষ করে নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালুর ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার ভূমিকা আজ বিশ্বজুড়ে রোল মডেল।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার, সময় লাগতে পারে দুই বছর

নতুন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন

আরও বাড়লো সোনা-রুপার দাম

সারাদেশে কলেরার টিকা শুরু

তুরাগের বাউনিয়া-বাদালদী সড়কের বেহাল দশা, চোখে কালো কাপড় বেঁধে যুবকের প্রতিবাদ

অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৯

এক দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

কেন্দ্রে নকল সরবরাহের অভিযোগে শিক্ষকের কারাদণ্ড, বহিষ্কার ৫ পরীক্ষার্থী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনায় স্পিকারের সঙ্গে বসছে ইসি

১০

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

১১

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু

১২

বদির মেটিকুলাস ডিজাইনেই একরাম হত্যা: চিফ প্রসিকিউটর

১৩

শেখ হাসিনাসহ পলাতকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

১৪

গাড়ি কেনার শখ পূরণে অভিনয়ে, এখন জনপ্রিয় নায়িকা

১৫

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ-সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

১৬

বিশ্বকাপ থেকে কোন দল কত প্রাইজমানি পেল

১৭

মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

তুরাগে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে, অপেক্ষার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার

১৯

৫ আগস্টের আগেই জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে

২০